ফাতওয়া বিভাগ

ফাতওয়া বিভাগ: এ বিভাগে নিন্মোক্ত পদ্ধতিতে সেবা প্রদান করা হয়।
(ক) সাধারণ বিভাগ: এ বিভাগটি মানব জীবনে উদ্ভূত যাবতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য একটি গবেষণা মূলক কার্যক্রম । জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে বিবেচিত আধুনিক ও সম-সাময়িক ঝটিল সমস্যাবলী সমাধানের লক্ষ্যে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় মুফতীদের সমন্নয়ে বোর্ড গঠন করতঃ বিভিন্ন সেমিনারের ব্যবস্থা গ্রহনের চেষ্টা চলছে। দেশ-বিদেশের মুসলিম উম্মাহর ঝটিল সমস্যাবলীর মৌখিক-লিখিত আকারে সমাধান ও ফাতওয়া প্রদানই এর মূল লক্ষ্য।
(খ) ড়হ ষরহব সার্ভিস: জ্ঞান-বিজ্ঞান উন্নতির এযুগে মানব সম্প্রদায়ের একটি বৃহত অংশ তাদের যাবতীয় কার্যক্রম ও দীনী যোগ-জিজ্ঞাসা ইন্টারনেটের মাধ্যমেই করে থাকে। কিন্তু দুঃখ জনক সত্য হলো এ অঙ্গনে আমাদের উল্লেখ যোগ্য খিদমাত আঞ্জাম দান কারী সাইট না থাকায় তারা বিভিন্ন বাতিল কর্তৃক বিভ্রান্ত ও প্রতারিত হচ্ছে। এরই হাত থেকে সাধারণ মুসলিম উম্মাহকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়ার লক্ষ্যে ইতি মধ্যেই ড়হষরহব –এ ফাতওয়া প্রধানের আধুনিক পদ্ধতি গ্রহনের কাজও এগিয়ে চলছে। ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে যে কোন বিষয়ে জ্ঞান আহরণ ,প্রশ্নের জবাব সহ বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। যুগশ্রেষ্ঠ ফক্বীহ,শাইখুল ইসলাম আল্লামা তাকী উসমানী দা. বা. এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ বিভাগটি আরো উন্নতির প্রচেষ্টা চলছে।
(গ) ফারায়েয (সম্পদবণ্টন) বিভাগ: এবিভাগে মৃত ব্যক্তির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ওয়ারিসদের মধ্যে ইসলামী শরীয়ার বিধান মোতাবেক সুষ্ঠ বন্টনের রূপরেখা বর্নণা করা হয়।
(ঘ) দাওয়াত ও তাবলীগ বিভাগ:দীনী ইলম্ শিক্ষা করা প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরয। সবার পক্ষে সম্ভবনয় ১০ থেকে ১২ নিয়ম তান্ত্রিকভাবে মাদরাসায় পড়া, ইলম হাসিল করা। কিন্তু তারা বিশাল একটি মুসলিম জামাআত সাধারণ মুসলমান তাদের ইলম অর্জনের জন্য হযরত মাও: ইলিয়াস র.-এর উদ্ভাবিত পদ্ধতি খুবই কার্যকর। পরীক্ষার আলোকে দেখা গেছে এ কাজের সাথে জড়িত উলামাদেরও আমল তরাক্কী হয়। সাধারণ জনগণের বিশাল তাগাদা আর ছাত্রদের আমলী তারাক্কীর লক্ষ্যে তাবলীগ জামা‘আতের কাজের ও আঞ্জাম দেয়া হয়। উ¯তাদদের বিশেষ নেগরানীতে ২৪ঘন্টার জামা‘আতসহ বিভিন্ন তাবলীগী নেসাব পূর্ণ করা হয়। এভাবে মারকায দাওয়াত ও তাবলীগের মহান কাজ আঞ্জান দিয়ে চলছে।
(ঙ) মজলিসে দাওয়াতুল হক: হাকীমূল উম্মত হযরত আশরাফ আলী থানভী র. এর সিলসিলায় মাও: শাহ আবরারুল হক র. কর্তৃক পরিচালিত মজলিসে দাওয়াতুল হকের কর্মসুচী আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত লোকদেরকে দীনী প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে খুবই ফলপ্রসু। তাই একর্মসুচীর যাবতীয় কার্যক্রম সুচারুরূপে আঞ্জাম দেয়া হয়। এ কার্যক্রমের সর্বাঙ্গীন সফলতার জন্য মারকাযের মুদীর ও শাহ আবরারুল হক র.-এর অন্যতম খলীফা মুফতী মিযানুর রহমান সাঈদ দা.বা. মারকায মিলনায়তনে ইসলাহী বয়ান করে থাকেন। যাতে সাধারণ শিক্ষিতদের পাশাপাশি অনেক আলেমগণও অংশগ্রহণ করেন।
(চ) রচনা ও প্রকাশনা বিভাগ: বর্তমানে সাহিত্যাঙ্গন বিবেক বিকৃত ও মগজ বিক্রিত পাশ্চত্যঘেঁষা তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের দখলে। আর ধর্মীয় বিষয়ে পুস্তক প্রকাশ ও প্রচারে সবচেয়ে এগিয়ে ভ্রান্তমতবাদীরা। ফলে হকপন্থী উলামারা দুদিকেই দুর্বল হয়ে পড়েছে। মুখ থুবড়ে পড়েছে ইসলামী সাহিত্য মজলিসগুলো। মারকায দীনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই যোগ্য সৈনিক তৈরীর মাধ্যমে খিদমাত আঞ্জাম দানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আর তা সফলতার জন্যই গড়ে তোলা হয়েছে রচনা ও প্রকাশণা বিভাগ। এ বিভাগের উদ্যেগে সাহিত্য আড্ডার মাধ্যমে ইসলামী সাহিত্যগুলোকে সরব করার প্রচেষ্টা চলছে। পাশাপাশি বাতিল প্রতিরোধের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর গবেষণা বিভাগের ছাত্রদের মাধ্যমে প্রবন্ধ তৈরী করে তা পুস্তককারে সাধারণ জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার কার্যক্রমও হাতে নেয়া হচ্ছে।

ইসলাম, জাতি ও মানবতার কল্যাণে